এবার প্রধান বিচারপতিকে একহাত দেখালেন বিএনপি মহাসচিব

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া চার মাসের জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।

 

 

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ জামিনের আদেশ রোববার পর্যন্ত স্থগিতের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব এ অভিযোগ করেন।

 

 

সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়া যেন দ্রুত কারাগার থেকে বের হতে না পারেন, সে জন্য ছলচাতুরী করছে সরকার। এমনকি তাঁকে ওকালতনামায় পর্যন্ত সই করতে দিচ্ছে না। খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে আদালত যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে, যাতে তিনি কারাগার থেকে বের হতে না পারেন।

 

 

তিনি বলেন, সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল ছাড়া আবার একটি নির্বাচন করতে চক্রান্ত করছে। সে জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মূলত সরকার একটা ছক তৈরি করেছে কীভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কারাগারে আটকে রাখা যায়।

বর্তমান সরকার বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে এসব ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আর সে জন্য তাঁকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। এখন তাঁর জামিন দিতেও নানা গড়িমসি করছে।

 

 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার জুলুম-নির্যাতন করছে যাতে বিরোধী দলগুলো কোনো কথা বলতে না পারে। তাহলে তাদের ক্ষমতা ধরে রাখা সহজ হবে।

 

এ সময় মির্জা ফখরুল পুলিশ হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। তিনি একই সঙ্গে এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, মীর নাসির উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জয়নুল আবেদীন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, আবদুস সালাম, এ জে মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *